১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রবিবার | শরৎকাল | ভোর ৫:১৭
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ!
কুষ্টিয়ায় হত্যার দায়ে পাঁচ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় হত্যার দায়ে পাঁচ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

শাহীন আলম লিটন:
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রেজাউল উদ্দিন নামে এক কৃষককে হত্যার দায়ে পাঁচ ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকার মৃত রহমত শেখের ছেলে আব্দুল গফুর (৪৫), জালাল উদ্দিন (৩৮), উজ্জ্বল (৩৫), সেজ্জাদ প্রকাশ সুজাত (২৫), ও সুজন (২৩)।

এরা প্রত্যেকে আপন ভাই। রায় ঘোষণার সময় আসামি গলুর ও জালাল উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ জুন রাত ১০টার সময় কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকার সেচ খালের পানি দিয়ে ইরি ধানের জমিতে সেচ দেওয়ার উদ্দেশে মাঠে যাচ্ছিলেন কৃষক রেজাউল উদ্দিন এবং তার দুই মামা আফিল উদ্দিন ও জামাল উদ্দিন। এসময় মাঠের মধ্যে কয়েকজন রেজাউলকে অস্ত্রসহ ঘিরে ধরেন। এসময় তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান তারা। সেখান থেকে রেজাউলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর দিন ১২ জুন কুমারখালী থানায় আটজনের নাম উল্লেখ এবং তিন/চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে এজাহার দায়ের করেন নিহত রেজাউলের মামা আফিল উদ্দিন।

পরে পুলিশ পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ০৭ জানুয়ারি আদালতে ১২ জনকে আসামি করে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন কুমারখালী থানা পুলিশের উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সামসুল আলম সিদ্দিকী।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, শত্রুতার জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা কৃষক রেজাউল উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী বলেন, কুমারখালী থানায় দায়ের করা রেজাউল হত্যা মামলায় ১২জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণের ভিত্তিতে পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহতীতভাবে প্রমাণিত হয়। দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে আদালত এ মামলায় অভিযুক্ত আব্দুল গফুর, জালাল উদ্দিন, উজ্জ্বল, সেজ্জাদ প্রকাশ সুজাত ও সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। সেইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি আসামিদের এ মামলা থেকে অব্যাহিত দেন আদালত।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024